jia9-এ গেমিং একটি বিনোদন — জীবনের সমস্যার সমাধান নয়। আমরা চাই আপনি সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকুন, আনন্দে থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন।
বাংলাদেশে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ অনলাইন গেমিংয়ে সময় কাটান। বেশিরভাগের কাছে এটি নিছক আনন্দের উৎস — ক্রিকেট ম্যাচের উত্তেজনা বাড়ানো, বন্ধুদের সাথে স্লট খেলার মজা বা একটা ব্যস্ত দিন শেষে মন হালকা করা। এটি স্বাভাবিক এবং সুস্থ।
কিন্তু কখনো কখনো বিনোদন হয়ে ওঠে অভ্যাস, আর অভ্যাস পরিণত হয় নির্ভরশীলতায়। jia9 এই বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে নেয়। আমরা চাই না কোনো খেলোয়াড় হারানো অর্থ ফিরে পাওয়ার আশায় আরও বেশি বাজি ধরুন, ঘুম বাদ দিয়ে খেলতে থাকুন বা পরিবারের কথা না ভেবে বেপরোয়া সিদ্ধান্ত নিন।
jia9-এ দায়িত্বশীল গেমিং কোনো নিয়মের বোঝা নয় — এটি আমাদের সেই খেলোয়াড়দের প্রতি প্রতিশ্রুতি যারা আমাদের পরিবারের অংশ। আপনার সুস্থতা এবং আপনার পরিবারের সুখ আমাদের কাছে যেকোনো রাজস্বের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
নিচের প্রশ্নগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। যেগুলো আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেগুলোতে টিক দিন।
আমি হারানো অর্থ ফিরে পেতে বারবার আরও বেশি বাজি ধরি।
গেমিং বন্ধ করতে চাইলেও নিজেকে থামাতে পারি না।
পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে গেমিং অভ্যাস লুকিয়ে রাখি।
মাসিক বাজেটের বাইরে গিয়ে বাজি ধরেছি।
গেমিং না করলে অস্থির বা মেজাজ খারাপ লাগে।
কাজ, পড়াশোনা বা পরিবারকে সময় না দিয়ে গেম খেলি।
আপনার গেমিং অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে jia9 যে সরঞ্জামগুলো প্রদান করে
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক জমার সর্বোচ্চ পরিমাণ নিজেই ঠিক করুন। একবার সীমা নির্ধারণ করলে তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় এবং বাড়ানোর আগে ৭২ ঘণ্টার প্রতীক্ষা সময় লাগে।
প্রতি সেশনে কতক্ষণ খেলবেন তা আগে থেকে ঠিক করুন। নির্ধারিত সময় পার হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা আসবে এবং সেশন শেষ হবে। সময়ের হিসাব হারিয়ে ফেলার ঝুঁকি থাকবে না।
২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন, ১৪ দিন বা ৩০ দিনের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখুন। বিরতির সময় কোনো গেম, বেটিং বা লেনদেন সম্ভব নয়। মাঝে মাঝে একটু দূরত্ব নেওয়া স্বাস্থ্যকর।
দীর্ঘমেয়াদে খেলা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে চাইলে স্থায়ী স্ব-বিরতি চালু করুন। ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা যাবে। স্ব-বিরতি চলাকালে কোনো বোনাস বা প্রমো পাওয়া যাবে না।
একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হারালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গেমিং বন্ধ হয়ে যাবে। এই সীমা দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে নির্ধারণ করা যাবে। হারানোর পেছনে ছোটার বৃত্ত ভাঙতে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
যেকোনো সময় আপনার সম্পূর্ণ গেমিং ও লেনদেনের ইতিহাস দেখুন। কতটা সময় খেলেছেন, কত জমা দিয়েছেন, কত উত্তোলন করেছেন — সব তথ্য স্বচ্ছভাবে পাওয়া যাবে।
প্রতিদিনের সর্বোচ্চ জমা/ক্ষতির পরিমাণ
প্রতি সাতদিনের জন্য নির্ধারিত সীমা
ত্রিশ দিনের পূর্ণ সীমা নির্ধারণ
এক বসায় সর্বোচ্চ কতক্ষণ খেলবেন
এককভাবে সর্বোচ্চ বাজির পরিমাণ
নিচের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি যদি আপনার মধ্যে দেখা যায়, তাহলে একটু থামুন এবং সাহায্য নিন।
হারানো অর্থ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা: হেরে গিয়ে আরও বেশি বাজি ধরছেন "এবার জিতব" ভেবে — এটি জুয়ার আসক্তির প্রধান লক্ষণ।
গোপনীয়তা ও মিথ্যা বলা: পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে গেমিং অভ্যাস লুকানো এবং কত সময় বা অর্থ খরচ হচ্ছে সে বিষয়ে মিথ্যা বলা।
আর্থিক চাপ: বিল, ভাড়া বা জরুরি খরচের অর্থ দিয়ে বাজি ধরছেন বা অন্যের কাছ থেকে ধার নিয়ে গেম খেলছেন।
মানসিক পরিবর্তন: গেমিং না করলে উদ্বেগ, বিরক্তি বা হতাশা অনুভব করছেন। গেমিং যেন মানসিক চাপ কমানোর একমাত্র উপায় হয়ে উঠেছে।
সম্পর্কে প্রভাব: গেমিংয়ের কারণে কাজ, পরিবার বা বন্ধুত্বে সমস্যা হচ্ছে। প্রিয়জনরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
নিয়ন্ত্রণ হারানো: বন্ধ করতে চাইলেও পারছেন না বা সীমা নির্ধারণ করে তা রক্ষা করতে পারছেন না।
jia9-এ সুরক্ষা সরঞ্জাম চালু করা অত্যন্ত সহজ। মাত্র কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করুন:
আপনার jia9 অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং উপরের ডান দিকে আপনার প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
অ্যাকাউন্ট সেটিংসে "দায়িত্বশীল গেমিং" অথবা "Responsible Gaming" বিকল্পটি খুঁজুন এবং ক্লিক করুন।
জমার সীমা, সেশন সময়, ক্ষতির সীমা বা বিরতি — আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো বিকল্প বেছে নিন।
পরিমাণ বা সময় লিখে "নিশ্চিত করুন" বাটনে ক্লিক করুন। সীমা কমানো তাৎক্ষণিক, বাড়ানোর জন্য ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।
সেটিংসে সমস্যা হলে বা সরাসরি স্ব-বিরতি চালু করতে চাইলে [email protected]এ লিখুন — আমরা সাথে সাথে সাহায্য করব।
jia9-এর সকল সেবা শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য। এটি আইনি বাধ্যবাধকতা এবং আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
অপ্রাপ্তবয়স্কের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলা বা গেম খেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই নিয়ম লঙ্ঘনে অ্যাকাউন্ট বাতিল ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
jia9 নিবন্ধনের সময় জন্মতারিখ যাচাই করে এবং প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কপি চেয়ে বয়স নিশ্চিত করে। কোনো সন্দেহ হলে আমরা যেকোনো সময় অতিরিক্ত যাচাই করতে পারি।
অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ: আপনার সন্তান যদি আপনার ডিভাইস বা পেমেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে, তাহলে সেগুলোতে পাসওয়ার্ড ও পিন সুরক্ষা নিশ্চিত করুন।
প্যারেন্টাল কন্ট্রোল: বাংলাদেশে বিভিন্ন ইন্টারনেট সেবাদাতা প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ফিচার অফার করে। এগুলো ব্যবহার করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের জুয়ার সাইটে প্রবেশ বন্ধ করা সম্ভব।
সন্দেহ হলে জানান: যদি মনে হয় আপনার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান jia9 ব্যবহার করছে, তাহলে তাৎক্ষণিক [email protected]এ যোগাযোগ করুন। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেব।
খোলামেলা কথা বলুন: সন্তানদের সাথে অনলাইন গেমিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করুন। সচেতনতাই সর্বোত্তম সুরক্ষা।
গেমিং সমস্যা লজ্জার বিষয় নয়। সাহায্য চাওয়া সাহসের লক্ষণ।
বাংলাদেশে অনেকেই গেমিং আসক্তির কথা বলতে সংকোচ বোধ করেন — পরিবারের কথা ভেবে, সমাজের কথা ভেবে। কিন্তু মনে রাখবেন, আসক্তি একটি স্বাস্থ্য সমস্যা, চরিত্রের দোষ নয়। সঠিক সময়ে সঠিক সাহায্য নিলে এটি সম্পূর্ণ সারানো সম্ভব।
jia9-এর সাপোর্ট টিম বিশেষভাবে দায়িত্বশীল গেমিং বিষয়ে প্রশিক্ষিত। আপনি যদি মনে করেন আপনার সাহায্য দরকার — বা আপনার পরিচিত কারো জন্য — নির্দ্বিধায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। সব কথা সম্পূর্ণ গোপনীয় থাকবে।
আমরা আপনাকে সঠিক পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করব — চাই সেটা সীমা নির্ধারণ হোক, সাময়িক বিরতি হোক বা পুরোপুরি বন্ধ করা হোক। আপনার সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান করি এবং সমর্থন করি।
💬 লাইভ চ্যাটে: jia9-এ লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে সরাসরি আমাদের বাংলাভাষী সাপোর্ট টিমের সাথে কথা বলুন — ২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন।
jia9-এর দায়িত্বশীল গেমিং সাপোর্ট:
সাড়া দেওয়ার সময়: সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টা
স্ব-বিরতি চালু করতে ইমেইলে লিখুন:
"আমি স্ব-বিরতি চালু করতে চাই"
আমরা ১ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেব।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার
বয়স যাচাই প্রক্রিয়া কঠোরভাবে মেনে চলি এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশ রোধ করি।
আসক্তির লক্ষণ সনাক্ত করতে AI-ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা পরিচালনা করি।
স্ব-বিরতির অনুরোধ সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর করি।
দায়িত্বশীল গেমিং বিষয়ে কর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিই।
গেমিং বিজ্ঞাপনে কোনো অতিরিক্ত প্রতিশ্রুতি বা বিভ্রান্তিকর বার্তা ব্যবহার করি না।
স্ব-বিরতি চলাকালীন কোনো বোনাস, প্রমো বা প্রলোভন পাঠাই না।
জমার সীমা কমানোর অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করি না বা অযথা দেরি করাই না।
হারার পর আরও বাজি ধরতে উৎসাহিত করি না।
ঋণ নিয়ে বা ধার করা অর্থে খেলতে উৎসাহ দিই না।
কোনো খেলোয়াড়কে কখনো গেমিংকে আয়ের উৎস হিসেবে প্রচার করি না।
"গেমিং হোক বিনোদনের জন্য, সমস্যার জন্য নয়"
jia9 চায় আপনি সবসময় হাসিমুখে খেলুন। আজ থেকেই আপনার সীমা নির্ধারণ করুন এবং দায়িত্বশীলভাবে গেমিং উপভোগ করুন।